ঢাকা , বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬ , ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্কুলের যাওয়া হলো না শিফার রাজশাহী থেকে জাপানে কর্মী নিয়োগ এবং সম্ভাব্য বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা সকালে ঘুম থেকে উঠে চা-কফি খাওয়ার পরেই হৃৎস্পন্দন বাড়ছে! রাজশাহী পুলিশ লাইন্সে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ আল-কায়েদা সম্পর্কিত জাতিসংঘের বক্তব্যের সপক্ষে কোনো তথ্য নেই: শামা ওবায়েদ জেলা প্রশাসক আন্তঃ উপজেলা গোল্ডকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা উপলক্ষে মহানগর ফুটবল দলের সাথে রাসিক প্রশাসকের মতবিনিময় নিয়ামতপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল ও নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ নিরাপদ জীবন ও পরিবেশের জন্য অতি ঝুঁকিপূর্ণ কীটনাশক বন্ধের দাবি কৃষকদের বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণে ৩ যুবকের যাবজ্জীবন রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে জিআইজেড প্রতিনিধিদের সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় নগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৯ পুঠিয়ায় নন্দনগাছী সড়কে ৩০০ গাছের চারা রোপণ রাজশাহীতে গ্যাস সংকটের কারণে ঘন ঘন লোডশেডিং, বিপাকে হিমাগার মালিকেরা বাংলাদেশ-চীনের যৌথ সহযোগিতায় রাজশাহী সিল্কের ঐতিহ্য ফিরে আসবে: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মান্দায় মোবাইল কোর্টে চার প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা গোপালগঞ্জে বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩ ঠাকুরগাঁওয়ে ইকো ইউনিভার্সিটির অনুমোদন, উত্তরাঞ্চলের উচ্চশিক্ষায় নতুন দিগন্ত রাজশাহী বিভাগীয় উন্নয়ন কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়ন ও জনসেবার মান বাড়ানোর নির্দেশ বিভাগীয় কমিশনারের ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে এবার ঘুরে দাঁড়ানোর পালা: প্রধানমন্ত্রী অবৈধভাবে সার মজুদ ব্যবসায়ীর ৫ হাজার টাকা জরিমানা

রক্তাল্পতায় কেমন হবে শিশুর খাওয়াদাওয়া

  • আপলোড সময় : ১১-০৩-২০২৬ ০৩:৫৬:৫১ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১১-০৩-২০২৬ ০৩:৫৬:৫১ অপরাহ্ন
রক্তাল্পতায় কেমন হবে শিশুর খাওয়াদাওয়া ছবি: সংগৃহীত
চিকিৎসকের মতে, কেবল ওষুধ বা সাপ্লিমেন্ট নয়, শিশুর রক্তল্পতা দূর করতে হলে তার খাওয়াদাওয়ায় নজর দেওয়া সবচেয়ে বেশি জরুরি। কেবল যে প্রত্যন্ত এলাকার শিশুরা অপুষ্টিজনিত রক্তল্পতায় ভুগছে তা নয়, শহরাঞ্চলেও এর হার বেশি। এর কারণ হল সঠিক পুষ্টির অভাব। বাবা-মায়েরা শিশুর স্বাস্থ্য ভাল হবে ভেবে হয়তো প্রচুর পরিমাণে খাওয়াচ্ছেন, কিন্তু ঠিক কোন কোন খাবার বাড়ন্ত বয়সের শিশুর জন্য জরুরি, তা নিয়ে সঠিক ধারণা নেই।

জন্মের পর তিন মাস বয়স পর্যন্ত শিশুর শরীরে যেটুকু হিমোগ্লোবিন থাকে, তা সে তার মায়ের কাছ থেকেই নিয়ে আসে। এর পর তার নিজের শরীরের অস্থিমজ্জায় রক্ত তৈরি হতে শুরু করে। সাধারণত ৬ মাস থেকে ২ বছর বয়স অবধি শিশুর রক্তে হিমোগ্লোবিনের স্বাভাবিক মাত্রা থাকা উচিত প্রতি ডেসিলিটারে ১০.৫ থেকে ১৩.৫ গ্রাম। ২ বছরের পর থেকে ১২ বছর অবধি প্রতি ডেসিলিটারে ১১.৫ থেকে ১৫.৫ গ্রাম। এর চেয়ে কম হয়ে গেলেই তখন রক্তাল্পতার লক্ষণ দেখা দেবে। শিশু দুর্বল হয়ে পড়বে, খিদে কমে যাবে, মুখ-চোখ ফ্যাকাশে দেখাবে। ওই বয়স থেকে তাই শিশুকে পরিপূরক খাবার খাওয়ানোও জরুরি, যার মধ্যে আয়রন সমৃদ্ধ খাবার থাকতেই হবে।

রক্তাল্পতায় শিশুর ডায়েট
প্রাণিজ ও উদ্ভিজ্জ খাদ্য উৎস থেকে আয়রন পাওয়া যায়। মাছ, মাংস, ডিম থেকে যে আয়রন পাওয়া যায়, তাকে ‘হিম’ আয়রন বলে। আর উদ্ভিজ্জ উৎস যেমন ড্রাই ফ্রুট, ডুমুর, বাদাম, কিশমিশ, সবুজ শাকসব্জি থেকে প্রাপ্ত আয়রনকে বলে ‘নন-হিম’ আয়রন। শরীর দু’রকম আয়রনই ভাল শোষণ করতে পারে।

সকালের জলখাবারে শিশুকে দেওয়া যেতে পারে দুধ-ওট্‌স। আয়রন ও ফাইবার সমৃদ্ধ ওট্‌স শিশুর শরীরের জন্য ভাল। গরুর দুধে অ্যালার্জি থাকলে কাঠবাদামের দুধ বা দই দিয়ে ওট্‌স দিতে পারেন।

এর এক ঘণ্টা পরে ভাল করে সেদ্ধ করা ডিম ও যে কোনও এক প্রকার মরসুমি ফল দিতে হবে। ফলের মধ্যে আপেল, ন্যাসপাতি, বেদানা, কলা থাকলে ভাল।

দুপুরের খাবারে ভাত বা খিচুড়ি, যা-ই দিন না কেন, সঙ্গে গাজর, বিন,বিট, ব্রকোলি বা পালংশাকের মতো সব্জি রাখতে হবে। এই সব্জিগুলি আয়রন সমৃদ্ধ। ছোট মাছ, মাংসের মেটেতেও আয়রন থাকে। যদি শিশু মাছ খেতে না চায়, তা হলে সয়াবিন দিতে পারেন। অথবা বাড়িতে তৈরি ছানাও উপকারী।

১ বছর বা তার চেয়ে বেশি বয়সের শিশুদের রোজ ভিজিয়ে রাখা খেজুর ও কিশমিশ খাওয়াতে পারলে ভাল। এতে রক্তল্পতার ঝুঁকি অনেক কমে যাবে।

মা-বাবারা খেয়াল রাখবেন, শুধু শরীর যাতে তা গ্রহণ করতে পারে সে জন্য লেবু, আমলকি বা কমলালেবুর মতো ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল বা সব্জিও রাখতে হবে রোজের পাতে।

ছোট থেকে বেশি চা বা কফি খাওয়ানোর অভ্যাস করবেন না। চা বা কফি আয়রন শোষণে বাধা দেয়। বদলে ঘরে তৈরি ডিটক্স পানীয় বা ওট্‌স-কাঠবাদাম-খেজুর বেটে তৈরি স্মুদি খাওয়ালে উপকার বেশি হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রাজশাহীতে গ্যাস সংকটের কারণে ঘন ঘন লোডশেডিং, বিপাকে হিমাগার মালিকেরা

রাজশাহীতে গ্যাস সংকটের কারণে ঘন ঘন লোডশেডিং, বিপাকে হিমাগার মালিকেরা